ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়ছে মারণরোগ ক্যানসারের ঝুঁকি, জেনে নিন সুস্থ থাকার উপায়

  • রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত সময় : ০৬:৫৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৯ পড়ছেন

বিশ্বজুড়ে মানব মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে ক্যানসার। বাংলাদেশে ফুসফুস, খাদ্যনালি, ঠোঁট-মুখগহ্বর, স্তন, সার্ভিক্স জরায়ু, পাকস্থলী, হাইপোফ্যারিংক্স বা নিম্ন গলার অংশ, অরোফ্যারিংক্স বা গলার মাঝের অংশ, গলব্লাডার, স্বরযন্ত্র, নন-হজকিন লিম্ফোমা, লিভার, ডিম্বাশয়, লিউকেমিয়া, কোলন, মলদ্বার, প্রস্টেট, মূত্রাশয়, থাইরয়েড, কিডনি, অগ্ন্যাশয়, মস্তিষ্কসহ অন্তত ৩৫টি ধরনের ক্যানসার বিদ্যমান।

ক্যানসার রোগ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে ওঠার চাবিকাঠি এখনও অধরা। তাই ক্যানসারের আতঙ্কও সহজেই জাঁকিয়ে বসে। ক্যানসার কোনও নির্দিষ্ট কারণে হয় না। চিকিৎসকদের ভাষায় এটি একটি ‘মাল্টি ফ্যাকেটেরিয়াল ডিজিজ’। মূলত তেল-মশলাদার খাবার, অতিরিক্ত বাইরের খাবার, অতিরিক্ত চিনি ও ময়দা খেলে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। শরীরের কোনও কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধিই ক্যানসারের অন্যতম কারণ।

তবে শরীরের যে কোনও অঙ্গে সামান্য সংক্রমণই পরবর্তী কালে বদলে যেতে পারে মারণরোগে। লিভারের রোগ কখন যে লিভার ক্যানসারের রূপ নেবে, তা আগে থেকে আঁচ করা যায় না অনেক সময়েই। মুখগহ্বর থেকে পাকস্থলী, যকৃৎ থেকে জরায়ু— যে কোনও অঙ্গেই মারণরোগ বাসা বাঁধার কারণ কোনও না কোনও ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়া। সাধারণ রোগজীবাণুর থেকে এদের চরিত্র আলাদা। অথবা বলা যেতে পারে মানুষের শরীরে বাসা বাঁধতে বাঁধতে এরা তাদের চরিত্র, থুড়ি, জিনের সাজসজ্জা বদলে ফেলে আরও ভয়ানক হয়ে উঠেছে। এই ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়ারা খুব দ্রুত বিভাজিত হতে পারে। মানুষের শরীরে ঢুকলে দেহ কোষের অনিয়মিত বিভাজন ঘটিয়ে তারা টিউমার কোষ তৈরি করে ফেলে, যা ক্যানসারের কারণ হয়ে ওঠে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

বাড়ছে মারণরোগ ক্যানসারের ঝুঁকি, জেনে নিন সুস্থ থাকার উপায়

প্রকাশিত সময় : ০৬:৫৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশ্বজুড়ে মানব মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে ক্যানসার। বাংলাদেশে ফুসফুস, খাদ্যনালি, ঠোঁট-মুখগহ্বর, স্তন, সার্ভিক্স জরায়ু, পাকস্থলী, হাইপোফ্যারিংক্স বা নিম্ন গলার অংশ, অরোফ্যারিংক্স বা গলার মাঝের অংশ, গলব্লাডার, স্বরযন্ত্র, নন-হজকিন লিম্ফোমা, লিভার, ডিম্বাশয়, লিউকেমিয়া, কোলন, মলদ্বার, প্রস্টেট, মূত্রাশয়, থাইরয়েড, কিডনি, অগ্ন্যাশয়, মস্তিষ্কসহ অন্তত ৩৫টি ধরনের ক্যানসার বিদ্যমান।

ক্যানসার রোগ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে ওঠার চাবিকাঠি এখনও অধরা। তাই ক্যানসারের আতঙ্কও সহজেই জাঁকিয়ে বসে। ক্যানসার কোনও নির্দিষ্ট কারণে হয় না। চিকিৎসকদের ভাষায় এটি একটি ‘মাল্টি ফ্যাকেটেরিয়াল ডিজিজ’। মূলত তেল-মশলাদার খাবার, অতিরিক্ত বাইরের খাবার, অতিরিক্ত চিনি ও ময়দা খেলে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। শরীরের কোনও কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধিই ক্যানসারের অন্যতম কারণ।

তবে শরীরের যে কোনও অঙ্গে সামান্য সংক্রমণই পরবর্তী কালে বদলে যেতে পারে মারণরোগে। লিভারের রোগ কখন যে লিভার ক্যানসারের রূপ নেবে, তা আগে থেকে আঁচ করা যায় না অনেক সময়েই। মুখগহ্বর থেকে পাকস্থলী, যকৃৎ থেকে জরায়ু— যে কোনও অঙ্গেই মারণরোগ বাসা বাঁধার কারণ কোনও না কোনও ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়া। সাধারণ রোগজীবাণুর থেকে এদের চরিত্র আলাদা। অথবা বলা যেতে পারে মানুষের শরীরে বাসা বাঁধতে বাঁধতে এরা তাদের চরিত্র, থুড়ি, জিনের সাজসজ্জা বদলে ফেলে আরও ভয়ানক হয়ে উঠেছে। এই ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়ারা খুব দ্রুত বিভাজিত হতে পারে। মানুষের শরীরে ঢুকলে দেহ কোষের অনিয়মিত বিভাজন ঘটিয়ে তারা টিউমার কোষ তৈরি করে ফেলে, যা ক্যানসারের কারণ হয়ে ওঠে।