ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন বিয়ে করছেন না, জানালেন সাফা কবির

  • রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত সময় : ০৪:১৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৬ পড়ছেন

বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী সাফা কবির নির্মাতা আশফাক বিপুলের এয়ারটেলের একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে মিডিয়া জগতে পা রাখেন। এরপর প্রাণ পিনাট বার ও প্যারাসুট নারিকেল তেলের বিজ্ঞাপন চিত্রেও অভিনয় করেন তিনি।  ব্যবসায়ী বাবা ও গৃহিণী মায়ের একমাত্র সন্তান সাফা কবির। ২০১৩ সালে ‘অল টাইম দৌড়ের ওপর’ টেলিফিল্মে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনেত্রী হিসেবে যাত্রা শুরু করেন সাফা কবির। এক যুগের বেশি সময় ধরে অভিনয়কে ভালোবেসে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। শুরুতে এই পেশা নিয়ে পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের নানা কথা শুনতে হলেও মা–বাবার পূর্ণ সমর্থনই তাকে এগিয়ে যেতে সাহস জুগিয়েছে।

সম্প্রতি কক্সবাজারে ‘মৎস্যকন্যা’ নাটকের শুটিং শেষ করে ঢাকায় ফিরেছেন অভিনেত্রী। ফিরেই শুরু হয়েছে নতুন কাজের ব্যস্ততা। এর পাশাপাশি ঈদ সামনে রেখে প্রস্তুতিও নিচ্ছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে তার সমসাময়িক কাজ, ব্যক্তিগত জীবনে চাওয়া-পাওয়া নিয়ে কথা বলেছেন সাফা কবির। বিশেষ করে বিয়ে—যে প্রশ্নটি তাকে প্রায়ই শুনতে হয়, সে বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেত্রী।

তার সহকর্মীরা অনেকেই সংসারী হয়েছেন। এই যেমন তাসনিয়া ফারিণ, সাবিলা নূর, মেহজাবীন চৌধুরী তিনজনই ইতোমধ্যে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এবং সংসার সামলে সমানতালে কাজও চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই প্রেক্ষাপটে ঘুরেফিরে একটিই প্রশ্ন—কবে বিয়ে করছেন সাফা কবির? —এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, আমি এ কারণে বিয়ে করতে চাই না যে, আমার বয়স হয়ে গেছে বা সবাই বিয়ে করে ফেলেছে—এমনটি না।

তিনি বলেন, আমি এমন একটা সময়ে বিয়ে করতে চাই, যখন আমার জীবনে এমন একজন মানুষ আসবে, যার সঙ্গে সারাজীবন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই থাকা যাবে। মানুষ বলবে বলে বিয়ে নয়। হুটহাট বিয়ে করে কিছু দিন পর ভেঙে যাওয়ার চেয়ে, আস্থার সঙ্গে বিয়ে করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সাফা কবির বলেন, আমার পরিবার থেকে কোনো তাড়াহুড়া নেই। আব্বু–আম্মু সব সময় আমাকে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছেন। তারা চাইলে অনেক কিছু প্রত্যাশা করতে পারতেন—চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়া। কিন্তু তাদের কথা ছিল— যেটা মন চায় সেটাই কর, ভালো থাকো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

কেন বিয়ে করছেন না, জানালেন সাফা কবির

প্রকাশিত সময় : ০৪:১৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী সাফা কবির নির্মাতা আশফাক বিপুলের এয়ারটেলের একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে মিডিয়া জগতে পা রাখেন। এরপর প্রাণ পিনাট বার ও প্যারাসুট নারিকেল তেলের বিজ্ঞাপন চিত্রেও অভিনয় করেন তিনি।  ব্যবসায়ী বাবা ও গৃহিণী মায়ের একমাত্র সন্তান সাফা কবির। ২০১৩ সালে ‘অল টাইম দৌড়ের ওপর’ টেলিফিল্মে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনেত্রী হিসেবে যাত্রা শুরু করেন সাফা কবির। এক যুগের বেশি সময় ধরে অভিনয়কে ভালোবেসে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। শুরুতে এই পেশা নিয়ে পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের নানা কথা শুনতে হলেও মা–বাবার পূর্ণ সমর্থনই তাকে এগিয়ে যেতে সাহস জুগিয়েছে।

সম্প্রতি কক্সবাজারে ‘মৎস্যকন্যা’ নাটকের শুটিং শেষ করে ঢাকায় ফিরেছেন অভিনেত্রী। ফিরেই শুরু হয়েছে নতুন কাজের ব্যস্ততা। এর পাশাপাশি ঈদ সামনে রেখে প্রস্তুতিও নিচ্ছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে তার সমসাময়িক কাজ, ব্যক্তিগত জীবনে চাওয়া-পাওয়া নিয়ে কথা বলেছেন সাফা কবির। বিশেষ করে বিয়ে—যে প্রশ্নটি তাকে প্রায়ই শুনতে হয়, সে বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেত্রী।

তার সহকর্মীরা অনেকেই সংসারী হয়েছেন। এই যেমন তাসনিয়া ফারিণ, সাবিলা নূর, মেহজাবীন চৌধুরী তিনজনই ইতোমধ্যে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এবং সংসার সামলে সমানতালে কাজও চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই প্রেক্ষাপটে ঘুরেফিরে একটিই প্রশ্ন—কবে বিয়ে করছেন সাফা কবির? —এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, আমি এ কারণে বিয়ে করতে চাই না যে, আমার বয়স হয়ে গেছে বা সবাই বিয়ে করে ফেলেছে—এমনটি না।

তিনি বলেন, আমি এমন একটা সময়ে বিয়ে করতে চাই, যখন আমার জীবনে এমন একজন মানুষ আসবে, যার সঙ্গে সারাজীবন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই থাকা যাবে। মানুষ বলবে বলে বিয়ে নয়। হুটহাট বিয়ে করে কিছু দিন পর ভেঙে যাওয়ার চেয়ে, আস্থার সঙ্গে বিয়ে করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সাফা কবির বলেন, আমার পরিবার থেকে কোনো তাড়াহুড়া নেই। আব্বু–আম্মু সব সময় আমাকে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছেন। তারা চাইলে অনেক কিছু প্রত্যাশা করতে পারতেন—চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়া। কিন্তু তাদের কথা ছিল— যেটা মন চায় সেটাই কর, ভালো থাকো।