ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেঘের সঙ্গে দুই দিন: মিরিঞ্জা ভ্যালির গল্প

  • রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত সময় : ০৫:২৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৮ পড়ছেন

এই যাত্রায় আমাদের গন্তব্য ছিল বান্দরবানের লামায় অবস্থিত এক অপূর্ব পাহাড়ি পর্যটনকেন্দ্র ‘মিরিঞ্জা ভ্যালি’। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৮০০ ফুট উঁচুতে এই ভ্যালির অবস্থান। বান্দরবান শহর থেকে দূরত্ব প্রায় ৮৬ কিলোমিটার, আর চকরিয়া থেকে মাত্র ২৭ কিলোমিটার।

বর্তমানে জায়গাটি নিয়ে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে পর্যটকদের মাঝে। মিরিঞ্জার আলাদা একটা নিজস্ব সৌন্দর্য আছে। এই পাহাড়ের মূল আকর্ষণ হলো ‘মেঘ’। সারাদিনই এখানে মেঘের লুকোচুরি খেলা চলে।ভোরবেলায় মনে হয়, মেঘ যেন আপনার কানে কানে কিছু বলতে চায়। সকালে মনে হবে- মেঘগুলোর মন আজ দারুণ ভালো, তাই তারা দুষ্টু বাচ্চার মতো ছুটোছুটি করছে। দুপুর গড়ালে মনে হবে- মেঘগুলো যেন খুব তাড়াহুড়ায় কোথাও যাচ্ছে। আর বিকেলে? তখন মনে হবে, মেঘ আপনাকে ছেড়ে দূরে চলে গেছে, তবে যাওয়ার আগে আকাশে নিজের চিহ্ন রেখে গেছে।এই পাহাড়ে রাত কাটানো ভ্রমণকে নিয়ে যায় একেবারে অন্য মাত্রায়। পাহাড়ের রাতের সৌন্দর্য আসলে লিখে বোঝানো যায় না। মাথার ওপর বিশাল আকাশ, অসংখ্য তারা আর একটা বড় চাঁদ, সব মিলিয়ে এক ধরনের নীরব মুগ্ধতা কাজ করে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

মেঘের সঙ্গে দুই দিন: মিরিঞ্জা ভ্যালির গল্প

প্রকাশিত সময় : ০৫:২৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এই যাত্রায় আমাদের গন্তব্য ছিল বান্দরবানের লামায় অবস্থিত এক অপূর্ব পাহাড়ি পর্যটনকেন্দ্র ‘মিরিঞ্জা ভ্যালি’। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৮০০ ফুট উঁচুতে এই ভ্যালির অবস্থান। বান্দরবান শহর থেকে দূরত্ব প্রায় ৮৬ কিলোমিটার, আর চকরিয়া থেকে মাত্র ২৭ কিলোমিটার।

বর্তমানে জায়গাটি নিয়ে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে পর্যটকদের মাঝে। মিরিঞ্জার আলাদা একটা নিজস্ব সৌন্দর্য আছে। এই পাহাড়ের মূল আকর্ষণ হলো ‘মেঘ’। সারাদিনই এখানে মেঘের লুকোচুরি খেলা চলে।ভোরবেলায় মনে হয়, মেঘ যেন আপনার কানে কানে কিছু বলতে চায়। সকালে মনে হবে- মেঘগুলোর মন আজ দারুণ ভালো, তাই তারা দুষ্টু বাচ্চার মতো ছুটোছুটি করছে। দুপুর গড়ালে মনে হবে- মেঘগুলো যেন খুব তাড়াহুড়ায় কোথাও যাচ্ছে। আর বিকেলে? তখন মনে হবে, মেঘ আপনাকে ছেড়ে দূরে চলে গেছে, তবে যাওয়ার আগে আকাশে নিজের চিহ্ন রেখে গেছে।এই পাহাড়ে রাত কাটানো ভ্রমণকে নিয়ে যায় একেবারে অন্য মাত্রায়। পাহাড়ের রাতের সৌন্দর্য আসলে লিখে বোঝানো যায় না। মাথার ওপর বিশাল আকাশ, অসংখ্য তারা আর একটা বড় চাঁদ, সব মিলিয়ে এক ধরনের নীরব মুগ্ধতা কাজ করে।