কক্সবাজারে আলুর বস্তার ভেতর থেকে দুটি জি-৩ রাইফেল, দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, ৪২টি গুলি, একটি ম্যাগাজিন, তিনটি টেজার, ছয়টি ওয়াকিটকি, চার কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, ২৫টি জর্দার কৌটা ও ২৫টি লাল স্কচটেপ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তিনটি মুঠোফোনও জব্দ করা হয়েছে।
কক্সবাজারের টেকনাফে দুটি জি-৩ রাইফেল, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক দ্রব্যসহ তিন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)।
বিজিবি সুত্রে জানা যায় , গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে লেদা বাজার এলাকায় অবস্থান নেয় বিজিবির একটি দল। বেলা দেড়টার দিকে তিনজনকে নিয়ে একটি ইজিবাইক ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় সেটিকে থামানো হয়। মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে ইজিবাইকে থাকা একটি বস্তায় ধাতব পদার্থের উপস্থিতি শনাক্তের পর ইজিবাইকসহ তিনজনকে লেদা বিওপিতে নিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিতে আলুর বস্তার ভেতর থেকে দুটি জি-৩ রাইফেল, দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, ৪২টি গুলি, একটি ম্যাগাজিন, তিনটি টেজার, ছয়টি ওয়াকিটকি, চার কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, ২৫টি জর্দার কৌটা ও ২৫টি লাল স্কচটেপ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তিনটি মুঠোফোনও জব্দ করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয় শিবিরের বাসিন্দা মোহাম্মদ উসমান,একই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মোহাম্মদ আনসার আলী ও টেকনাফের ২৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মোহাম্মদ মুসলিম।আটককৃতদের বিকালে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয় বলে বিজিবি জানিয়েছেন।
বিজিবির দাবি, উদ্ধার করা অস্ত্রের চালানটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থানরত একটি সশস্ত্র ডাকাত দলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত এলাকায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যের চোরাচালানসহ সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
কক্সবাজার প্রতিনিধি 








