কিছুতেই যেন থামানো যাচ্ছেনা ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সংঘর্ষ। সামান্য ব্যাপারে দলবদ্ধ বা গোষ্ঠিবদ্ধ সংঘর্ষ সেখানে নিত্য দিনের ব্যাপার।
রোববার সকালেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
ঘটনার সূত্রপাত গত (২৬ সেপ্টেম্বর) শনিবার সকালে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আক্তার ও বকুল গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দফায় দফায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে ।
রোববার সকালে আবারও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষের লোকজন। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। দেশীয় অস্ত্র হাতে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা।
জানা যায়, গত শনিবার স্থানীয় বাজারে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার গ্রুপের এনাম ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বকুল গ্রুপের রুবেলের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জেরে প্রথমে সংঘর্ষের সূত্রপাত। পরে বাড়িতে ফিরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষ। এ সময় উভয় পক্ষের ঘর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচু ও লুটপাট চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার জেরে ফের রোববার সকাল সাতটা থেকে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। সকাল দশটা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে সংঘর্ষ। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিজয়নগর থানা পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়ন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ। এ সময় স্থানীয় ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও ঘটনাস্থলে এসে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বিজয়নগর থানার ওসি মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ জানান, পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন রয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি 








