চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের হরিহরনগর দক্ষিণপাড়া এলাকায় বুলবুল ইসলাম নামে এক নববিবাহিত যুবককে মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত ও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে হরিহরনগর মাঠ থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। আহত বুলবুল ইসলামের বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার কাকনহাট এলাকায়। তিনি বাসেদের ছেলে।
প্রায় তিন থেকে চার মাস আগে সম্পর্ক করে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের হরিহরনগর দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা দেলোয়ারের মেয়ে শারমিন আক্তারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি । জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফি আল ইমরান জানান, সকাল ১২টা ২০ মিনিটে বুলবুল ইসলামকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে এবং তিনি অচেতন অবস্থায় ছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে আহতের খোঁজখবর নিয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আহতের শ্বশুর দেলোয়ার দাবি করেন, বিয়ের পর থেকেই বুলবুল তার মেয়ের কাছে দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করতেন। তারা দুজনই ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন আগে তারা ঢাকায় ফিরে যান। তার ভাষ্য, বুধবার তার মেয়ে বাড়িতে ফিরলেও বুলবুল এসেছিলেন কি না, তিনি জানতেন না। পরে দুপুরের দিকে খবর পেয়ে হাসপাতালে যান। ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।
জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 















