ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙচুর

ড. ইউনূস ও আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত সময় ০৩:০২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৪ পড়েছেন

রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে একটি মামলার আবেদন করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন। তামান্না চৌধুরী প্রিয়াঙ্কা নামে এক নারী এ মামলার আবেদন করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শারীফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় উল্লিখিত অন্য আসামিরা হলেন— পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, সাবেক উপদেষ্টা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় মো. নাহিদ ইসলাম, সাবেক উপদেষ্টা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আক্তার হোসেন, হাসনাত আবদুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসুদ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ড. তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারোয়ার, অব. কর্নেল নূরনবী, তাহরিমা জান্নাত সুরভী, বুলডোজার জোগানদাতা মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী এবং আবুল কালাম আজাদ।

মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়, আসামিরা গত বছরের ৫ আগস্ট পূর্বপরিকল্পিতভাবে বেআইনি উদ্দেশ্যে কোনো উসকানি ছাড়াই ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ভবনের প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে প্রধান আসামিদের উসকানি ও নির্দেশে বুলডোজার দিয়ে ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। এতে স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল্যবান দলিলপত্র ও সংগৃহীত স্মৃতিচিহ্নসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদ লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে ধ্বংস হয়ে যায়।

বাদীপক্ষ দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৯৫, ৪২৭, ৪৩৫, ৪৩৮, ৪৪৮, ৪২০, ৫০৬ ও ৫০৭ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৪ ধারা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানিয়েছে।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

জনপ্রিয়

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙচুর

ড. ইউনূস ও আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

প্রকাশিত সময় ০৩:০২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে একটি মামলার আবেদন করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন। তামান্না চৌধুরী প্রিয়াঙ্কা নামে এক নারী এ মামলার আবেদন করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শারীফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় উল্লিখিত অন্য আসামিরা হলেন— পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, সাবেক উপদেষ্টা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় মো. নাহিদ ইসলাম, সাবেক উপদেষ্টা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আক্তার হোসেন, হাসনাত আবদুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসুদ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ড. তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারোয়ার, অব. কর্নেল নূরনবী, তাহরিমা জান্নাত সুরভী, বুলডোজার জোগানদাতা মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী এবং আবুল কালাম আজাদ।

মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়, আসামিরা গত বছরের ৫ আগস্ট পূর্বপরিকল্পিতভাবে বেআইনি উদ্দেশ্যে কোনো উসকানি ছাড়াই ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ভবনের প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে প্রধান আসামিদের উসকানি ও নির্দেশে বুলডোজার দিয়ে ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। এতে স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল্যবান দলিলপত্র ও সংগৃহীত স্মৃতিচিহ্নসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদ লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে ধ্বংস হয়ে যায়।

বাদীপক্ষ দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৯৫, ৪২৭, ৪৩৫, ৪৩৮, ৪৪৮, ৪২০, ৫০৬ ও ৫০৭ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৪ ধারা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানিয়েছে।