ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তদন্তাধীন মামলা নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

তদন্তাধীন একটি মামলাকে কেন্দ্র করে তদন্ত কর্মকর্তা তুষার কুমার মন্ডলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, মামলাটিতে দুই আসামির স্বীকারোক্তি রয়েছে এবং তদন্তে প্রযুক্তিগত তথ্যসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসামি ফেরদৌস আদালতে প্রতারণার ঘটনায় কারা জড়িত এবং কে কত টাকা পেয়েছে—সে বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। অপর আসামি বাবুলও ঘটনার দায় স্বীকার করে বাদীর সঙ্গে অর্থ দিয়ে আপস করেছেন বলে জানা গেছে। মামলায় প্রায় ২০টি মোবাইল ফোন ও একাধিক সিম জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া কললিস্টসহ অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হচ্ছে।

সূত্রের দাবি, তদন্ত কর্মকর্তা তুষার কুমার মন্ডল প্রযুক্তির সহায়তায় একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সন্ধান পেয়েছেন। চক্রটির বিরুদ্ধে ৪০-৫০টি ঘটনায় কোটি কোটি টাকা প্রতারণার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ঘটনায় যশোরে ইতোমধ্যে তিনটি মামলা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, চক্রটির সঙ্গে জড়িত কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে মামলা থেকে নিজেদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। তদন্তকে প্রভাবিত করতেই তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তাদের দাবি।

তবে মামলার বাদী হারুন সাহেব জানিয়েছেন, তদন্ত কর্মকর্তা তুষার কুমার মন্ডলের বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই এবং তিনি কোনো সাংবাদিককে এ বিষয়ে বক্তব্য দেননি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। সাক্ষ্য, প্রযুক্তিগত তথ্য ও অন্যান্য প্রমাণ যাচাই-বাছাই করেই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

জনপ্রিয়

তদন্তাধীন মামলা নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

প্রকাশিত সময় ০৯:৪৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

তদন্তাধীন একটি মামলাকে কেন্দ্র করে তদন্ত কর্মকর্তা তুষার কুমার মন্ডলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, মামলাটিতে দুই আসামির স্বীকারোক্তি রয়েছে এবং তদন্তে প্রযুক্তিগত তথ্যসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসামি ফেরদৌস আদালতে প্রতারণার ঘটনায় কারা জড়িত এবং কে কত টাকা পেয়েছে—সে বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। অপর আসামি বাবুলও ঘটনার দায় স্বীকার করে বাদীর সঙ্গে অর্থ দিয়ে আপস করেছেন বলে জানা গেছে। মামলায় প্রায় ২০টি মোবাইল ফোন ও একাধিক সিম জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া কললিস্টসহ অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হচ্ছে।

সূত্রের দাবি, তদন্ত কর্মকর্তা তুষার কুমার মন্ডল প্রযুক্তির সহায়তায় একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সন্ধান পেয়েছেন। চক্রটির বিরুদ্ধে ৪০-৫০টি ঘটনায় কোটি কোটি টাকা প্রতারণার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ঘটনায় যশোরে ইতোমধ্যে তিনটি মামলা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, চক্রটির সঙ্গে জড়িত কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে মামলা থেকে নিজেদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। তদন্তকে প্রভাবিত করতেই তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তাদের দাবি।

তবে মামলার বাদী হারুন সাহেব জানিয়েছেন, তদন্ত কর্মকর্তা তুষার কুমার মন্ডলের বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই এবং তিনি কোনো সাংবাদিককে এ বিষয়ে বক্তব্য দেননি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। সাক্ষ্য, প্রযুক্তিগত তথ্য ও অন্যান্য প্রমাণ যাচাই-বাছাই করেই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।