ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোরেলগঞ্জে নিখোঁজ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নিখোঁজের ১৫ ঘন্টা পর আউয়াল মাঝি (৫৫) মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বুধবার (২৬ আগষ্ট) সকাল ৮টার দিকে কর্মকারপট্রি খালে তার মরদেহ পাওয়া যায়। ফায়ার সাভিসের ডুবুরিদল তার মরদেহ উদ্ধার করে। আউয়াল মাঝি পেশায় শ্রমিক ছিলেন। মৃত্যুর সঠিক কারন জানতে পুলিশ মরদেহ হেফাজতে নিয়ে পোস্টমর্টেম করাতে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে মোরেলগঞ্জ পৌর বাজারের কর্মকারপট্টি বুলু কর্মকারের দোকানের পিছন থেকে সে নিখোঁজ হয়েছিলো।

পারিবারিক ও স্হানীয় সুত্রে জানা যায়,আউয়াল মাঝি ঘটনার দিন বিকেলে ওই দোকানের পিছনে দোকানের কয়লা ধোয়ার জন্য খালে নেমেছিলো।এরপরে আর তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে তার ব্যবহৃত কাপড়-চোপড় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পরে মোরেলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিটও আউয়াল মাঝির সন্ধান পেতে কাজ শুরু করে।

মরদেহ পাওয়ার পরে আউয়াল মাঝির স্বজনেরা তার মৃত্যু রহস্যজনক বলে দাবি করায় পুলিশ মরদেহ হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে নিখোঁজ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত সময় ০২:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নিখোঁজের ১৫ ঘন্টা পর আউয়াল মাঝি (৫৫) মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বুধবার (২৬ আগষ্ট) সকাল ৮টার দিকে কর্মকারপট্রি খালে তার মরদেহ পাওয়া যায়। ফায়ার সাভিসের ডুবুরিদল তার মরদেহ উদ্ধার করে। আউয়াল মাঝি পেশায় শ্রমিক ছিলেন। মৃত্যুর সঠিক কারন জানতে পুলিশ মরদেহ হেফাজতে নিয়ে পোস্টমর্টেম করাতে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে মোরেলগঞ্জ পৌর বাজারের কর্মকারপট্টি বুলু কর্মকারের দোকানের পিছন থেকে সে নিখোঁজ হয়েছিলো।

পারিবারিক ও স্হানীয় সুত্রে জানা যায়,আউয়াল মাঝি ঘটনার দিন বিকেলে ওই দোকানের পিছনে দোকানের কয়লা ধোয়ার জন্য খালে নেমেছিলো।এরপরে আর তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে তার ব্যবহৃত কাপড়-চোপড় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পরে মোরেলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিটও আউয়াল মাঝির সন্ধান পেতে কাজ শুরু করে।

মরদেহ পাওয়ার পরে আউয়াল মাঝির স্বজনেরা তার মৃত্যু রহস্যজনক বলে দাবি করায় পুলিশ মরদেহ হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।