ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কওম শহরে খামেনির মরদেহ, চতুর্থদিনের শোকমিছিলেও জনস্রোত

ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে পবিত্র শহর কওমে নেওয়া হয়েছে দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ। এ নিয়ে চতুর্থ দিনে গড়ানো শোকমিছিলেও দেখা গেছে জনসমুদ্র।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সেখানে তার মরদেহ নিয়ে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে একটি হেলিকপ্টারে করে খামেনির মরদেহ কওমে পৌঁছানোর দৃশ্য দেখানো হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দাবি, লাখো-লাখো মানুষ ওই শোক মিছিলে অংশ নেন। অনেকের মতে, ১৯৮৯ সালে ইরানের বিপ্লবী নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজা ও শোকযাত্রার পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় জনসমাগমগুলোর একটি।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, একটি ট্রাকে করে খামেনির মরদেহের পাশাপাশি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত তার পরিবারের আরও চার সদস্যের মরদেহ বহন করা হয়। শোক মিছিলটি ধীরগতিতে তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলের আজাদি স্কয়ারের দিকে অগ্রসর হয়।

কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত মানুষেরা কফিনগুলোর ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে খামেনির ১৪ মাস বয়সি এক নাতনির মরদেহও ছিল।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

জনপ্রিয়

কওম শহরে খামেনির মরদেহ, চতুর্থদিনের শোকমিছিলেও জনস্রোত

প্রকাশিত সময় ০২:১২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে পবিত্র শহর কওমে নেওয়া হয়েছে দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ। এ নিয়ে চতুর্থ দিনে গড়ানো শোকমিছিলেও দেখা গেছে জনসমুদ্র।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সেখানে তার মরদেহ নিয়ে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে একটি হেলিকপ্টারে করে খামেনির মরদেহ কওমে পৌঁছানোর দৃশ্য দেখানো হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দাবি, লাখো-লাখো মানুষ ওই শোক মিছিলে অংশ নেন। অনেকের মতে, ১৯৮৯ সালে ইরানের বিপ্লবী নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজা ও শোকযাত্রার পর এটিই ছিল সবচেয়ে বড় জনসমাগমগুলোর একটি।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, একটি ট্রাকে করে খামেনির মরদেহের পাশাপাশি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত তার পরিবারের আরও চার সদস্যের মরদেহ বহন করা হয়। শোক মিছিলটি ধীরগতিতে তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলের আজাদি স্কয়ারের দিকে অগ্রসর হয়।

কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত মানুষেরা কফিনগুলোর ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে খামেনির ১৪ মাস বয়সি এক নাতনির মরদেহও ছিল।