ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের সহায়তা পেলে এগিয়ে যেতে পারবে দেশ: এলজিআরডি মন্ত্রী

চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সহায়তা পেলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সমিতি’ আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘চীন এখন এক বিশাল অর্থনৈতিক শক্তি। তাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যে ম্যাজিক্যাল উন্নয়ন ঘটেছে, তার সুবিধা বাংলাদেশ নিতে পারলে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবো।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের ২০ কোটি মানুষের এই দেশে প্রায় ৪ কোটি বেকার যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে চীনের প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যকার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। আমাদের যুবসমাজ যেভাবে চীনে পড়াশোনা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত আদান-প্রদান বাড়াচ্ছে, তা দুই দেশের সম্পর্ককে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘শুধু আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে এনার্জি খাত, কারিগরি শিক্ষা, কৃষি ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে চীন বাংলাদেশের পাশে থেকে পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষায় আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।’

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘ ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক নতুন মাত্রা পেয়েছিল। পরে খালেদা জিয়ার শাসনামলে তা আরও সুদৃঢ় হয়।’

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

জনপ্রিয়

চীনের সহায়তা পেলে এগিয়ে যেতে পারবে দেশ: এলজিআরডি মন্ত্রী

প্রকাশিত সময় ০৪:২১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সহায়তা পেলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সমিতি’ আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘চীন এখন এক বিশাল অর্থনৈতিক শক্তি। তাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যে ম্যাজিক্যাল উন্নয়ন ঘটেছে, তার সুবিধা বাংলাদেশ নিতে পারলে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবো।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের ২০ কোটি মানুষের এই দেশে প্রায় ৪ কোটি বেকার যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে চীনের প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যকার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। আমাদের যুবসমাজ যেভাবে চীনে পড়াশোনা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত আদান-প্রদান বাড়াচ্ছে, তা দুই দেশের সম্পর্ককে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘শুধু আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে এনার্জি খাত, কারিগরি শিক্ষা, কৃষি ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে চীন বাংলাদেশের পাশে থেকে পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষায় আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।’

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘ ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক নতুন মাত্রা পেয়েছিল। পরে খালেদা জিয়ার শাসনামলে তা আরও সুদৃঢ় হয়।’

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।