ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় বাথরুম থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার

খুলনার দিঘলিয়ায় বিদ্যালয়ের বাথরুম থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় নন্দিনী রায় নামের এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিদ্যালয়ের পাশের ভবনে কাজ করা কয়েকজন নির্মাণশ্রমিক বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন। বর্তমানে সে খুলনার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নন্দিনী রায় দিঘলিয়া উপজেলার ডোমরা গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিশ্বর রায়ের মেয়ে। সে উপজেলার গাজীরহাট নঈম উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বিদ্যালয়ে পাঠদান শেষে বাথরুমে যায় নন্দিনী। সেখানে যাওয়ার পর পেছন থেকে অজ্ঞাতনামা কেউ তাকে মারধর করে চেতনানাশক স্প্রে প্রয়োগ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে জ্ঞান ফিরলে সে দেখতে পায়, তার হাত-পা বাঁধা।

এ সময় বাথরুমের ভেতর থেকে চিৎকার করতে থাকে নন্দিনী। পাশের একটি ভবনে কাজ করা নির্মাণশ্রমিকেরা বিষয়টি টের পেয়ে বিদ্যালয়ে ছুটে যান। পরে বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন তাঁরা।

উদ্ধারের পর স্থানীয়ভাবে নন্দিনীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে খুলনার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। তবে কে বা কারা এবং কী কারণে তার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছে নন্দিনী। তবে হামলাকারীদের সে দেখতে পায়নি। এ কারণে বিস্তারিত কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

ওসি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

জনপ্রিয়

খুলনায় বাথরুম থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার

প্রকাশিত সময় ০৩:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

খুলনার দিঘলিয়ায় বিদ্যালয়ের বাথরুম থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় নন্দিনী রায় নামের এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিদ্যালয়ের পাশের ভবনে কাজ করা কয়েকজন নির্মাণশ্রমিক বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন। বর্তমানে সে খুলনার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নন্দিনী রায় দিঘলিয়া উপজেলার ডোমরা গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিশ্বর রায়ের মেয়ে। সে উপজেলার গাজীরহাট নঈম উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বিদ্যালয়ে পাঠদান শেষে বাথরুমে যায় নন্দিনী। সেখানে যাওয়ার পর পেছন থেকে অজ্ঞাতনামা কেউ তাকে মারধর করে চেতনানাশক স্প্রে প্রয়োগ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে জ্ঞান ফিরলে সে দেখতে পায়, তার হাত-পা বাঁধা।

এ সময় বাথরুমের ভেতর থেকে চিৎকার করতে থাকে নন্দিনী। পাশের একটি ভবনে কাজ করা নির্মাণশ্রমিকেরা বিষয়টি টের পেয়ে বিদ্যালয়ে ছুটে যান। পরে বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন তাঁরা।

উদ্ধারের পর স্থানীয়ভাবে নন্দিনীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে খুলনার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। তবে কে বা কারা এবং কী কারণে তার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছে নন্দিনী। তবে হামলাকারীদের সে দেখতে পায়নি। এ কারণে বিস্তারিত কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

ওসি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।