ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদারীপু‌রে থানা থেকে পালিয়ে যাওয়া নারী আসামিকে ফের গ্রেপ্তার

মাদারীপুর সদর মডেল থানা থেকে পালিয়ে যাওয়া এক নারী আসামীকে ফের ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।

ফের গ্রেপ্তার হওয়া আসামী হাসিনা বেগম (৩৫) মাদারীপুর পৌরসভাধীন থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে ও সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ হাসিনা বেগম নামে এক নারীকে আটক করে সদর মডেল থানাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান। পরে তাকে মাদারীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মূল থানা ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় অস্থায়ীভাবে ওসির বাসভবনের নিচতলায় থানার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সেখানে আসামিদের জন্য কোন হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে হাসিনাকে রাখা হয়। পরে রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে হাসিনা ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙ্গে পালিয়ে যায়। পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি পালানোর ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) রমজান আলী সজল ও এক কনস্টেবলকে পরের দিন শুক্রবার প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। এদিকে আসামি হাসিনা বেগমের থানা থেকে পালানোর ঘটনায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশে শুক্রবার রা‌তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে তিন কর্মদিবসের মধ্যে এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে পালিয়ে যাওয়া আসামীকে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ ফের গ্রেপ্তার করতে অভিযান পরিচালনা করে শুক্রবার রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকার একটি বাসা থেকে ফের গ্রেপ্তার করে। পরে আসামীকে শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

এই বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, অস্থায়ী সদর থানা ভবনের একটি রুমের জানালা ভেঙ্গে পালিয়ে যাওয়া আসামী হাসিনা বেগমকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসা থেকে আমরা গ্রেপ্তার করি। এবং শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

জনপ্রিয়

মাদারীপু‌রে থানা থেকে পালিয়ে যাওয়া নারী আসামিকে ফের গ্রেপ্তার

প্রকাশিত সময় ০৩:২০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মাদারীপুর সদর মডেল থানা থেকে পালিয়ে যাওয়া এক নারী আসামীকে ফের ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।

ফের গ্রেপ্তার হওয়া আসামী হাসিনা বেগম (৩৫) মাদারীপুর পৌরসভাধীন থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে ও সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ হাসিনা বেগম নামে এক নারীকে আটক করে সদর মডেল থানাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান। পরে তাকে মাদারীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মূল থানা ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় অস্থায়ীভাবে ওসির বাসভবনের নিচতলায় থানার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সেখানে আসামিদের জন্য কোন হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে হাসিনাকে রাখা হয়। পরে রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে হাসিনা ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙ্গে পালিয়ে যায়। পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি পালানোর ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) রমজান আলী সজল ও এক কনস্টেবলকে পরের দিন শুক্রবার প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। এদিকে আসামি হাসিনা বেগমের থানা থেকে পালানোর ঘটনায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশে শুক্রবার রা‌তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে তিন কর্মদিবসের মধ্যে এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে পালিয়ে যাওয়া আসামীকে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ ফের গ্রেপ্তার করতে অভিযান পরিচালনা করে শুক্রবার রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকার একটি বাসা থেকে ফের গ্রেপ্তার করে। পরে আসামীকে শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

এই বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, অস্থায়ী সদর থানা ভবনের একটি রুমের জানালা ভেঙ্গে পালিয়ে যাওয়া আসামী হাসিনা বেগমকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসা থেকে আমরা গ্রেপ্তার করি। এবং শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।