ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরণখোলায় দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

শরণখোলায় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে নিজ ঘর থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেশীদের ধারণা।

থানা পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলার রাজৈর গ্রাম থেকে কবির হাওলাদার (৩০) ও তাঁর স্ত্রী হালিমা বেগমের (২৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

প্রতিবেশীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। তাঁদের ধারণা, ওই বিরোধের জেরেই স্ত্রী হালিমা বেগমকে হত্যার পর কবির হাওলাদার আত্মহত্যা করেছেন। হালিমার গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে লেখা রয়েছে, “এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।” চিরকুটটির সত্যতা এবং এটি কে লিখেছেন, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
নিহত দম্পতির সাত বছর ও দুই মাস বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় দুই মাসের শিশুসন্তানটি ঘরেই ছিল। বাবা-মায়ের মরদেহের পাশেই শিশুটিকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান স্বজন ও প্রতিবেশীরা।
শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ রোকেয়া খানম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহে পাওয়া আলামতও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে ওসি জানিয়েছেন।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

জনপ্রিয়

শরণখোলায় দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত সময় ০৩:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

শরণখোলায় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে নিজ ঘর থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেশীদের ধারণা।

থানা পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলার রাজৈর গ্রাম থেকে কবির হাওলাদার (৩০) ও তাঁর স্ত্রী হালিমা বেগমের (২৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

প্রতিবেশীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। তাঁদের ধারণা, ওই বিরোধের জেরেই স্ত্রী হালিমা বেগমকে হত্যার পর কবির হাওলাদার আত্মহত্যা করেছেন। হালিমার গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে লেখা রয়েছে, “এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।” চিরকুটটির সত্যতা এবং এটি কে লিখেছেন, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
নিহত দম্পতির সাত বছর ও দুই মাস বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় দুই মাসের শিশুসন্তানটি ঘরেই ছিল। বাবা-মায়ের মরদেহের পাশেই শিশুটিকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান স্বজন ও প্রতিবেশীরা।
শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ রোকেয়া খানম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহে পাওয়া আলামতও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে ওসি জানিয়েছেন।