সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নে ফেসবুকে ছড়ানো একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের হামলায় আহত আব্দুর রকিব ঝনু (৪০) মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
ঝনু ঘোনা ইউনিয়নের শ্রীডাঙা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। গত ৮ আগস্ট রাতে শ্রীডাঙার মোড়ে হামলায় লোহার রডের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে আশরাফুল আলম ডাবলু বাদী হয়ে ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ও পশু চিকিৎসক জাহিদ হোসেনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার মামলা করেন। ঝনুর মৃত্যুর পর মামলায় হত্যা-সংক্রান্ত ধারা যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, ৮ আগস্ট রাতে সংঘর্ষের সময় জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুরুল আলম বাপ্পী ও ছাত্রদল নেতা জাহিদ হোসেনের উপস্থিতিতে একটি পক্ষ ঘটনাস্থলে যায়। পরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ইউপি সদস্য শাহীনুর রহমান লাল্টু, তাঁর ছেলে নাজমুলসহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে ছিলেন ঝনুও।
এ ঘটনায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা লাল্টু ও জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ পরে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
অন্যদিকে, ছাত্রদল নেতা মঞ্জুরুল আলম বাপ্পীর ওপর হামলার অভিযোগে ইউপি সদস্য শাহীনুর রহমান লাল্টু ও সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান মুসাসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা হয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. মাহামুদুর রহমান বলেন, ঝনুর মৃত্যুর কাগজপত্র পাওয়ার পর হত্যা চেষ্টার মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা যুক্ত করতে আদালতে আবেদন করা হবে।
পরিবারের অভিযোগ, হামলায় জড়িত সবাই এখনো মামলার আওতায় আসেনি।
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 















